Monday, April 27, 2015

ইন্টারনেট স্পিড হ্যাক !! স্ক্রীনশটসহ এবং কোনো Software ছাড়াই

ইন্টারনেট স্পিড হ্যাক !! স্ক্রীনশটসহ এবং কোনো Software ছাড়াই

6


আসা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন-
আমিও আপনাদের দোআয় ভালো আছি
আজকে আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড হ্যাক করতে হয়
প্রথমে আপনাকে আপনার কম্পিউটার এর Run যেতে হবে ..
তারপর gpedit.msc এই লেখা টি লিখুন
তারপর computer configaration>administrative templates
তারপর network>Qos packet scheduler

এখান থেকে limit reservable..
computer এ Not configured দেয়া থাকে আপনি enable করে দিন

Bandwidth limit(%) : 0 করে দিন
তারপর Apply দিন..
আপনার কাজ শেষ
ফেইসবুক এ আমি
আমার ফেইসবুক পেজ 
অনেক কষ্ট করে টিউন টা করেছি
ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন

হ্যাক করুন যেকোনো আইডি,ওয়েব এড্রেস Spoof করে।

হ্যাক করুন যেকোনো আইডি,ওয়েব এড্রেস Spoof করে।

36



কেমন আছেন বন্ধুরা :) আশা করি সবাই ভালো আছেন । আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন কিভাবে পিশিং পেইজ তৈরি করতে হয় ।
যদি না জানেন তাহলে, শিখে নিতে পারেন । এই টিউটোরিয়ালে কিভাবে পিশিং পেইজ বানাতে হয় আমি সে সম্পর্কে আলোচনা করবো না ।

এই কাজটি করার জন্যে যা যা দরকার হবে সেটা হচ্ছেঃ

  • আপনার পিসিতে Wamp Server অথবা Xampp ইন্সটল থাকা ।
  • Winrar ইন্সটল থাকা।।

আবার আলোচনা করি কি থাকছে এই টিউটোরিয়ালে বা এই টিউটোরিয়াল ফলো করে আমরা কি করতে পারবো সেটাঃ

পিশিং পেইজ হচ্ছে যেকোনো একটি ওয়েবসাইটের লগিন পেইজের ক্লোন পেইজ। যেটা দেখতে পুরোপুরি একই রকমের হবে আপনি যেই ওয়েবসাইটের লগিন পেইজ বানাতে চাইতেসেন সেই ওয়েবসাইটটার সাথে। এখন কথা হচ্ছে পিশিং বানানোর পর আমরা সেটা যেকোনো ফ্রিহোস্টিং বা হ্যাকেড সার্ভারে আপলোড করি এবং যথাসম্ভব চেষ্টা করি এড্রেসটি আমরা যেই সাইটের পিশিং বানিয়েছি সেটার সাথে যেনো মিল থাকে ।
যেমন যদি কেউ জি-মেইলের পিশিং পেইজ বানায় তাহলে সে সেটা জি-মেইলের নামের সাথে মিল রেখে বানাতে চাইবে । কিন্তু নাম মিল থাকলে এখন আর তেমন কাজ হয় না বলতে গেলে, কারণ এখন মানুষ আগের থেকে অনেক বেশী জানে ও বুঝে । সুতারাং আপনি যদি কাউকে gmail.com এর পিশিং পেইজ দেন gmaails.com এইভাবে করে তাহলে সে যদি এক্সপার্ট বা মোটামোটি ধারনা আছেন এমন মানুষ হয় সহজের বুঝে যাবে যে এটা পিশিং পেইজের ইউএরআল।
এখন এমন যদি হয় তাহলে কেমন হয় ? ;) যদি আপনার ভিকটিম facebook.com এ প্রবেশ করবে কিন্তু তার সামনে যেটা আসবে সেটা হচ্ছে আপনার পিশিং পেইজ এবং সে যখন সে পেইজে তার আইডি পাসওয়ার্ড প্রবেশ করাবে সেটা চলে আসবে আপনার কাছে ! এটা কি সম্ভব?হ্যা সম্ভব তবে তার জন্যে আপনার দরকার হবে ভিকটিমের হোস্ট ফাইল এডিট করার। যেটা সম্ভব শুধুমাত্র একটি ছোটো ফাইল ভিকটিমের মাধ্যমে এক্সিকিউট করার মাধ্যমে।
মানে হচ্ছে আপনাকে যেকোনো ভাবে সেই ফাইলটি ভিকটিমের সিস্টেমে রান করাতে হবে এখন আপনার যদি ভিকটিমের পিসিতে ফিজক্যালি এক্সেস থাকে তাহলে সেটা আপনি নিজে করতে পারছেন যদি না থাকে তাহলে আপনাকে সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাহায্যে সেটা করতে হবে । মোটামোটি কথা হচ্ছে ভিকটিম যদি ফাইলটাতে ডাবল ক্লিক করে তাইলেই হবে।

কিভাবে এটা করা যাবে?

  • যা করতে হবে সেটা হচ্ছে প্রথমে আপনার কম্পিউটারের এই লোকশনে যানঃ C:\Windows\System32\Drivers\etc
  • আপনি যখন একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা আপনার ব্রাউজারে প্রবেশ করান সাইটটি ব্রাউজ করার জন্যে
  • তখন আপনার ব্রাউজার থেকে DNS (Domain Name Server) এর কাছে Query সেন্ড হয় এবং এরপরে DNS আপনার কম্পিউটারের সাথে ডোমাইনের সাথে সংযুক্ত
  • আইপিটির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং এই জিনিসটাকেই কাজে লাগিয়ে আমাদের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

এখন কিছু আসল কাজের কথা আসি!

যদি আপনি আপনার পিশিং পেইজ হোস্টিং টি কোনো ফ্রি হোস্টিং সাইটে তৈরি করেন তাহলে আপনি কখনোই আপনার পিশিং ওয়েবপেইজের ইউনিক আইপি এড্রেস পাবেন না। আপনি শুধুমাত্র PING করে যে আইপিটি পাবেন সেটা হচ্ছে হোস্টিং এর আইপি এড্রেস, সুতারাং আপনি যখন সেই আইপি এড্রেস টি ব্যাবহার করতে যাবেন হোস্ট ফাইল এডিট করার সময় ভিকটিম কিন্তু তখন আপনার দেওয়া পিশিং পেইজে রিডাইরেক্ট হবে না রিডাইরেক্ট হবে হোস্টিং এর এড্রেসে।
এখন এই প্রব্লেম টি সল্ভ করার উপায় হচ্ছে একটা সেটা হচ্ছে আপনার নিজ থেকেই একটি ওয়েব সার্ভার তৈরি করা লাগবে আপনার পিসিতে । যেই ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার ব্যাবহার করে আপনি আপনার নিজের হোস্টিং সার্ভিস ব্যাবহার করতে পারবেন।
এখন একটি ঝামেলার ব্যাপার হচ্ছে আপনার পিশিং পেইজটি ততক্ষন পর্যন্তই শুধুমাত্র কাজ করবে যতক্ষন আপনার পিসি অন থাকবে যদি আপনি আপনার পিসি বন্ধ থাকে তখন হোস্ট অনলাইনে না থাকার দরুন মানে আপনার পিসি অফ থাকার কারণে আপনার পিশিং পেইজটি আর কাজ করবে না । সুতারাং যেই টাইমে ভিকটিম পিশিং পেইজটি ভিজিট করবে সেই টাইমে আপনার পিসি চালু থাকলেই শুধুমাত্র পিশিং পেইজটি ভিকটিম দেখতে পাবে অন্যথ্যায় নয়।

কিভাবে আপনি নিজের ওয়েব সার্ভার তৈরি করবেন ?

আপনি বিভিন্ন ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার যেমনঃ wamp,xampp চালাতে পারেন (দুটো সফটওয়্যার ফ্রি এবং ওপেনসোর্স) আপনার যদি এই দুটো আগে ব্যাবহারের অভিজ্ঞতা থাকলে তাহলে আপনি আপনার সুবিধা মতন ব্যাবহার করতে পারেন । আর যদি আপনি নতুন হোন তাহলে আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো WAMP সার্ভার ব্যাবহার করার জন্যে কারণ এটি ব্যাবহার করা অপেক্ষাকৃত সহজ ।
wamp ডাউনলোড করার জন্যে এই লিঙ্কে যান। ডাউনলোড করার পর সফটওয়্যার টি ইন্সটল করে নিন আপনার পিসিতে।
  • ইন্সটল শেষ হওয়ার পর সি ড্রাইভের এই লোকশনে যানঃ C:\WampWWW
  • এবং আপনার তৈরিকৃত পিশিং পেইজটি এখানে এনে রাখুন মানে এই ফোল্ডারটিতে রাখুন।
  • এরপর এই পদ্ধতি অনুসরন করে Wamp Server চালু করুনঃ
  • (Start->windows->All Programs->Wamp Server->start wamp server)
  • আপনি একটি অর্ধ বৃত্তাকার আইকন দেখতে পাবেন সিস্টেম ট্রে তে । সেই আইকনটিতে ক্লিক করুন এবং স্টার্ট অল

সার্ভিস সিলেক্ট করে দিন। এখন আপনি ব্রাউজারে গিয়ে আপনার নিজের আইপি এড্রেস লেখে এন্টার দিলে দেখবেন আপনার পিশিং পেইজ চলে এসেছে ।
বিঃদ্রঃ পিশিং পেইজের নাম দিতে হবে index.htm যায় হোক আপনি যদি আপনার আইপি এড্রেস কি সেটা না জেনে থাকেন তাহলে এই এড্রেস থেকে সহজেই আপনি আপনার আইপি এড্রেস বের করতে পারবেনঃ Your ip

এবার হচ্ছে আসল কাজঃ

হোস্ট ফাইল মোডিফাই করা।
  • এই লিঙ্কে যান ফোল্ডার ব্রাউজার দিয়েঃ C:\Windows\System32\Drivers\etc
  • এখানে hosts নামে একটি ফাইল দেখতে পাবেন ফাইলটি কপি করে ডেক্সটপে বা আপনার যেখানে ইচ্ছে এনে রাখুন ।
  • এবার ডেক্সটপে এনে রাখা ফাইলটি নোটপ্যাডের মাধ্যমে ওপেন করে করলে আপনি সেখানে লোকালহোস্ট এন্ট্রি দেখতে পাবেন অনেকটা এই ধরনেরঃ
1
2
3
# localhost name resolution is handled within DNS itself.
#127.0.0.1 localhost
#::1 localhost
  • যেটা আপনি ফাইলটির নিচের দিকে দেখতে পাবেন । এখন এটার জায়গায় এভাবে সেটিং করুনঃ
1
2
your_ip_address the_website_name
#::1 localhost
  • আইপি এড্রেসের জায়গায় আপনার আইপি এড্রেস দিন এবং ওয়েবসাইটের নামের জায়াগায় সেই ওয়েবসাইটটির এড্রেসটি দিন আপনি যেই ওয়েবসাইটির পিশিং পেইজ বানিয়েছেন।
  • এবার ফাইলটি সেইভ করে রাখুন।
  • এখন ফাইলটাকে winrar দিয়ে কম্প্রেস করার পালা । আমাদের ফাইলটিকে এমন ভাবে কম্প্রেস করতে হবে যাতে ভিকটিম ক্লিক করার সাথে সাথে ফাইলটি কপি হয়রে যায় এই লোকাশনে : C:\Windows\System32\Drivers\etc
এখন আপনি যেই ওয়েবসাইটটির পিশিং পেইজ সেট করেছেন সেই ওয়েবসাইটের এড্রেস দিলে চলে আসবে আপনার পিশিং পেইজ !

কিভাবে কম্প্রেস করবেন

আপনার পিসিতে অবশ্যই winrar ইন্সটল থাকা লাগবে । এরপর হোস্ট ফাইল যেটি আপনি এডিট করে ডেক্সটপে রেখেছিলেন সেটাতে রাইট বাটন দিয়ে ক্লিক করুন , এবং Add to archive অপশন সিলেক্ট করে নিচের ছবি গুলোর মতোন স্টেপ গুলো ফলো করুনঃ





এভাবে ফাইলটি জিপ করা সম্পন্ন হলে ফাইলটি ভিকটিম কে সেন্ড করুন ! এখন ভিকটিম যদি জিপ ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করে তাহলে হোস্ট ফাইল রিপ্লেস হয়ে যাবে । আপনার কাজ এখানেই শেষ এখন যদি ভিকটিম আপনার পিশিং বানানো ওয়েবসাইটটি মনে করুন পিশিং বানালেন gmail.com এর যখন ভিকটিম gmail.com লেখবে তার ব্রাউজারে তখন তার সামনে জি-মেইলের পিজ ঠিকই আসবে কিন্তু সেটা হবে আপনার পিশিং পেইজ এবং সেখানে সে যায় লেখবে সেটা চলে আসবে আপনার কাছে।

এই মেথডে হ্যাক করার সময় কিছু সমস্যা হয় সেগুলো হচ্ছেঃ

  • যদি আপনার আইপি এড্রেস Dynamically কিছুক্ষনপর পর চেঞ্জ হতে থাকে ।
  • যদি ভিকটিম এডভান্স ইউজার হয় তাহলে তিনি হয়তো ব্রাউজারের সার্টিফিকেট দেখে বুঝে ফেলতে পারেন যে এটা পিশিং পেইজ ।
কিন্তু এইগুলো তেমন কোনো সমস্যাই নাহ ;) যদি উপরের স্টেপ গুলো সঠিক ভাবে অনুসরন করতে পারেন তাহলেই কাজ হবে । ধন্যবাদ। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক দিন টিউমেন্ট করুন শেয়ার করুন :P যেটা আমাকে উৎসাহিত করবে আরো ভালো কিছু লেখার জন্যে । যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে টিউমেন্টে জানান সাহায্য করার চেষ্টা করবো ।

হ্যাক করুন RAR ও ZIP ফাইলের পাসওয়ার্ড একদম সহজ পদ্ধতি অনুসরন করে!

হ্যাক করুন RAR ও ZIP ফাইলের পাসওয়ার্ড একদম সহজ পদ্ধতি অনুসরন করে!

73


সবাইকে স্বাগতম আমার টিউনে আজকের টিউনে আমি আপনাদের কে দেখাবো কিভাবে RAR/ZIP
ফাইলের পাসওয়ার্ড হ্যাক করা যায়।
RAR/ZIP ফাইল সম্পর্কে নতুন করে কিছুই বলার নেই । আপনার সবাই হয়তো এর সম্পর্কে জানেন।  winrar এর মাধ্যমে ফাইল rar/zip এই দুইটি ফরম্যাটে কম্প্রেস করা হয়। এবং কম্প্রেস করার সাথে সাথে আরো অনেক সুবিধা আছে যেমন তার মধ্যে একটি হলে ফাইলের সাথে পাসওয়ার্ড যোগ করা যায়। আপনি আপনার ফাইল কম্প্রেস করার সময় পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারবেন যাতে অন্য কেউ সেটা পাসওয়ার্ড ছাড়া দেখতে না পায় । কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে আমরা নেট খরচ করে অনেক ঝামেলা শেষে একটি RAR/ZIP ফাইল ডাউনলোড করার পর সেই ফাইলটি পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড থাকার কারণে আমাদের শ্রম এবং ইন্টারনেট দুটোই জলে যায়। তাই আজকের টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে একটি rar/zip ফাইলের
পাসওয়ার্ড হ্যাক করা যায়। প্রথমেই এই লিঙ্ক থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন । ডাউনলোড করে ইন্সটল করার পর সফটওয়্যার টি স্টার্ট মেনু থেকে চালু করে নিন। আর আগে একটি কথা বলে রাখি যে সফটওয়্যারটি  Brute Force এট্যাকের সাহায্যের পাসওয়ার্ড হ্যাক করার চেষ্টা করবে।তবে এর জন্যে সময়ের দরকার হতে পারে ।ফাইলে দেওয়া পাসওয়ার্ড দৈর্ঘ্য বা আকার অনুযায়ী সময় প্রয়োজন হবে সোজা কথায় বলতে গেলে ফাইলের পাসওয়ার্ড যত কঠিন হবে ফাইল হ্যাক করতে তত বেশী সময় লাগবে। দশ মিনিটও লাগতে পারে বা দশ মাসও লাগতে পারে  ।
যায় হোক এবার কাজের কথায় আসি কিভাবে ফাইল হ্যাক করতে হবে সেটা স্টেপ বাই স্টেপ দেখানোর চেষ্টা করছিঃ

সফটওয়্যারটি চালু করে নিন এবং নিচের স্ক্রিন শটটি তে দেখানো ওপেন লেখাটিতে ক্লিক করুনঃ

এবার ফাইল ব্রাউজ করে যে ফাইলটি হ্যাক করতে চান সে ফাইলটি সিলেক্ট করে দিনঃ

এবার মিনিমাম এবং ম্যাক্সিমাম পাসওয়ার্ড লেংথ সেট করুন। যদি আপনার মনে হয় যে জিপ বা রার
ফাইলটির পাসওয়ার্ড সহজ ধরনের তাহলে লোয়ারকেইস পাসওয়ার্ড সিলেক্ট করতে পারেন (এটা
আপনার ওপর নির্ভর করে আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী দিন অথবা স্ক্রিনশট ফলো করতে পারেন।)

এখন জিপ/রার ফাইলটির হ্যাকিং শুরু হবে

এর জন্যে স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন এটা Brute Force এট্যাকের সাহয্যে পাসওয়ার্ড হ্যাক করার চেষ্টা শুরু করবে । আপনার কাজ হবে পাসওয়ার্ড হ্যাক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাঃ
পাসওয়ার্ড হ্যাক হতে কতক্ষন সময় লাগতে পারে?
এটা নির্ভর করে আপনি যে জিপ/রার ফাইলের পাসওয়ার্ড হ্যাক করছেন সেটার লেংথ আর ধরনের
উপর পাসওয়ার্ড যদি লেংথে বড় হয় বা কঠিন ধরনের হয় তাহলে হ্যাক করতে অনেক সময় লাগবে।
যদি সোজা ধরনের হয় তাহলে কম সময়ের মধ্যেই হ্যাক হয়ে যাবে ।
ধন্যবাদ। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক দিন টিউমেন্ট করুন শেয়ার করুন :P যেটা আমাকে উৎসাহিত করবে আরো ভালো কিছু লেখার জন্যে । যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে টিউমেন্টে জানান সাহায্য করার চেষ্টা করবো ।

IDM 6.23 Build 6 এর Patch কি আছে আপনার কাছে ? না থাকলে নিয়ে নিন

IDM 6.23 Build 6 এর Patch কি আছে আপনার কাছে ? না থাকলে নিয়ে নিন ।

57


আশা করি সবাই ভাল আছেন । এস এস সি পরীক্ষা চলতেসে তাই পোস্ট করতে পারতেছি না ।
যাই হোক আজকে একটা জরুরি পোস্ট দিলাম ।
আশা করি সবার ভাল লাগবে । পোস্টটি IDM সম্পর্কিত ।
আমার জানা মতে যারা নেট ব্যবহার করেন তাদের ৯০ % IDM Use করেন ।
তাই আজকে আমি IDM এর একটা Patch বানালাম ।
নিচে Video TuT আছে না বুজলে একটু দেখে নিবেন ।
STeps :
+ প্রথমেই IDM এর Official Website থেকে Latest [V6.23 Build : 6] নামিয়ে নিন । Link : IDM
+ তারপর IDM তা ইন্সটল করে নিন ।
+ Open করবেন না ।
+ তারপর Task Manager থেকে আগে IDM Close করুন ।
+ এখন আমার তৈরিকৃত Patch টা নামিয়ে নিন ।
+ Patch এ Click করুন ।
+ এরপর দেখবেন Successful লেখা আসবে ।
+ এখন IDM Open করুন আর Registered Version Use করুন ।
Patch Links -
UploadBoy : IDM_6_23_Build_6_Patch.exe
ZippyShare : IDM_6_23_build_6_Patch.exe
Recommended - Video Tutorial তা অনেক কষ্ট করে বানিয়েছি Please অন্তত একবার দেখবেন :

ডাউনলোড করে নিন Hacking শেখার চমৎকার বাংলা বই ফ্রী! এবার ফেসবুক এবং ওয়েবসাইট হ্যাকিং করুন।

ডাউনলোড করে নিন Hacking শেখার চমৎকার বাংলা বই ফ্রী! এবার ফেসবুক এবং ওয়েবসাইট হ্যাকিং করুন।

45


আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, হ্যাকিং শেখার জীবনের start

বাংলাদেশে বর্তমানে হ্যাকিং শেখায় অনেকের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হ্যাকিং শেখা অতো সহজ কাজ নয়। এর জন্য দরকার হয় জেদ আর অক্লান্ত পরিশ্রম করার মানসিকতা।দরকার হয় বুদ্ধি। আর-ও জানতে হয় সি,সি প্লাস প্লাস,পাইথন সহ অনেক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ , এই প্রোগ্রামিং শেখার কোন শেষ নেই শিখেই যেতে হবে।যে সকল হ্যাকার কোন সাইট হ্যাক করে কৌতূহলবসত মানে হ্যাক করে কোন ক্ষতি না করে বেরিয়ে আসে তাদের বলা হয় White Hat Hacker বা সাদা টুপি হ্যাকার।
আর যে সকল হ্যাকার কোন সাইট হ্যাক করে ক্ষতি করে তাদের বলা হয় Black Hat Hacker বা কাল টুপি হ্যাকার।
আমাদের যদি হ্যাকিং করার ইচ্ছে থাকে তবে White Hat Hacker বা সাদা টুপি হ্যাকার হওয়া
উচিত কেননা কারও সাইট হ্যাক করে তাকে কষ্ট দেয়ার কোন মানে হয় না।
তো এবার কাজের কথায় আসি। হ্যাকিং শেখার জন্য বই অনেক দরকারি। এরকম English বই এর
সংখ্যা অসংখ্য । তবে বাংলা বই খুব কম-ই আছে।

এবার কিলগার দিয়ে হ্যাক করুন ফেসবুক সহ যে কোন একাউন্ট। হাতিয়ে নিন সব তথ্য

এবার কিলগার দিয়ে হ্যাক করুন ফেসবুক সহ যে কোন একাউন্ট। হাতিয়ে নিন সব তথ্য

16

আজকে আমি নতুনদের কে পরিচয় করিয়ে দিবো সেরা কিলগার Ardamax এর সাথে (আমার কাছে এইটা বেস্ট :p) । প্রথমেই, আপনার PC এর অ্যান্টিভাইরাস Disable করুন * ভয় পাইয়েন না, এটা আপনার pc এর কোন ক্ষতি করবে না :D ;) * । এরপর, Ardamax Keylogger ডাউনলোড করে ফেলুন নিচের লিঙ্ক থেকে।
Download
এবার Install করার পালা :D । Setup File টা Open করুন।
১। ‘I Agree’ Button এ ক্লিক করুন।
২। ‘Next’ Button এ ক্লিক করুন।
৩। Destination Folder এ “C:ProgramDataPMG” সেট করুন এবং ‘Install’ Button এ ক্লিক করুন।
৪। ইন্সটলেশন শেষ হয়ে গেলে ‘View the Quick Tour’ অপশনটি uncheck করে ‘Run Ardamax Keylogger’ সিলেক্ট করে ‘Finish’ এ ক্লিক করুন।
এবার setup শেষ হয়ে গেলে টাস্কবারে এরকম একটা icon দেখতে পাবেন । আইকন টাতে রাইট ক্লিক করে ‘Enter registration Key’ তে ক্লিক করুন->>
Name:Nemo / SnD
Key :YFSQSHVVLHUOOQTY
উপরের মত লিখে Register করুন এবং নিচের মত মেসেজ দেখতে পাবেন ->>
এখন আমরা Remote Keylogging করব। এর জন্য একটি File বানাবো যেটা Victim কে পাঠাতে হবে এবং Victim File টা ওপেন করলেই এই কিলগারটি তার পিসি তে অটোমেটিক ইন্সটল হয়ে যাবে এবং তার পিসি এর যাবতীয় সকল অ্যাকাউন্ট এর ইমেইল, পাসওয়ার্ড নির্দিষ্ট সময় পরপর আপনাকে ইমেইল করে পাঠাবে :D :D
চলুন তাহলে শুরু করি :v ->>
Icon টাতে আবার রাইট ক্লিক করুন এবং ‘Pre-Configured Installation’ এ ক্লিক করুন->>
১। ‘Next’ এ ক্লিক করুন।
২। ‘Installation folder on target Computer’ বক্সে ডিফল্ট হিসেবে যা আছে তাই রেখে দিন। আপনি যদি কিলগারটি অন্য কোনো ফাইলের সাথে বাইন্ড করে দিতে চান (Exp. JPEG অথবা .exe ফাইলের সাথে) তাহলে ‘Append keylogger engine to file or another application’ বক্সে চেক মারেন অ্যান্ড একটা মনের মত ফাইল সিলেক্ট করে দেন । নিচের ছবি তে দেখেন আমি কিলগার ফাইল টাকে একটা .png ফাইলের সাথে বাইন্ড করে দিসি। এরপর ‘Next’ এ ক্লিক করুন।
৩। আবার ‘Next’ এ ক্লিক করুন (সবগুলো বক্সে চেক মারবেন :D )
৪। ‘Security’ Window তে পাসওয়ার্ড দিন। এই পাসওয়ার্ড এর কারনে আপনার লগ ফাইল আপনি ব্যতিত আর কেউ পড়তে পারবে না এবং কিলগার কুইট করতে পারবে না, তাই পাসওয়ার্ড দেয়া ভালো। এরপর ‘Next’ এ ক্লিক করুন।
৫। ‘Options’ Window তে নিচের মত কনফিগারেশন দেন এবং নেক্সট চাপুন ->>
৬। ‘Control’ Window তে ‘Send logs every’ অপশন টাতে চেক মারেন অ্যান্ড টাইম “1 hour” করে দিন। ‘Delivery Method’ অপশন এ ‘Email’ সিলেক্ট করুন। ‘Send only if Log size exceeds’ option থেকে চেক উঠিয়ে দিন। এরপর নেক্সট চাপুন। (নিচের মত Configure করুন)
 ৭। এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ ******** “”””পূর্বের Step এ নেক্সট চাপার পর আবার ‘Back’ বাটন এ ক্লিক করুন।””””” তাহলে ‘Email Configuration’ Window আসবে।  ‘Send to’ textfield এ আপনার YAHOO MAIL ID দিন (অন্য কোনোটা না দেয়াই ভাল। আমি নিজে ইয়াহু মেইল ইউজ করছি অ্যান্ড এটাতেই বেষ্ট রেজাল্ট পাওয়া যায়, অন্য গুলতে ব্যান করে দেয় অথবা লগ ফাইল আসে না) :D । ‘Username’ field এ আপনার কমপ্লিট ইয়াহু মেইল আইডি টি পুনরায় দিন। পাসওয়ার্ড ঘরে পাসওয়ার্ড লিখে দিন। ‘SMTP Server’ field এ লেখুন ‘smtp.mail.yahoo.com’ এবং ‘Port’ এর ঘরে ‘587’ বসান। ‘Security’ তে ‘SSL’ এর জায়গায় ‘TLS‘ সিলেক্ট করুন। নিচের মত করে কনফিগার করে ‘Test’ বাটন এ ক্লিক করুন। সবগুলো কাজ সঠিক ভাবে করলে মেইল successfully delivered হয়েছে মেসেজ দেখাবে এবং আপনার মেইল ইনবক্স চেক করুন (Spam বক্সে গেলে ‘Not Spam মার্ক করুন’)।
৮। ‘Ardamax’ এ ‘Control’ Window তে গিয়ে কোনো settings না চেঞ্জ করে ‘Next’ চাপুন।
৯। ‘Screenshots’ window তে ‘On timer’ সিলেক্ট করে ‘Settings’ button এ ক্লিক করুন। এবং টাইম=৫-১০ মিনিট দেন (As you wish :D )
১০। ওয়েবক্যাম উইন্ডো তে ‘Next’ চাপুন অ্যান্ড ‘Destination’ window তে ফাইলের ডেসটিনেশন ও আইকন সিলেক্ট করে ‘Next’ চেপে finish দেন অ্যান্ড ফাইনালি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইল টি পাইয়া যান
:D
১১। এবার ফাইল টাকে মেইল, অথবা ফেবু তে পাঠাইয়া দেন। (Password protected Rar format এ পাঠাবেন অথবা কোনো ফ্রি হোসটিং সাইটে ছাড়েন, তবে প্লিজ জিনিস টা যেন ক্রাইম এর পর্যায়ে না চলে যায় :) )
এখন এ ফাইলটাতে ভিকটিম ডাবল ক্লিক করলেই এর সাথে বাইন্ড করা ফাইল টি (slave file) চালু হবে এবং প্রতি এক ঘণ্টা পরপর ভিকটিম এর সমস্ত ইমেইল, পাসওয়ার্ড ও তার কাজের স্ক্রিনশট মেইলের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন :D